খোজ মেলেনি মৃত ছাত্রীর, মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধন্দে পুলিশ

মালদা, ৭ জুলাই– ঘটনার পর কেটে গিয়েছে ৪৮ ঘণ্টা। কিন্তু মানিকচকে এখনো হদিশ মেলেনি নাবালিকা ছাত্রীর। রবিবারেও সকাল থেকেই দফায় দফায় ডুবুরির দল ভূতনি থানার মহেন্দ্রগঞ্জ এলাকার গঙ্গা নদীতে তল্লাশি চালায়। কিন্তু তার মৃতদেহ উদ্ধার করতে পারেনি বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্রীর নাম প্রতিমা মণ্ডল। ভূতনি এলাকার পশ্চিম নারায়ণপুর হাইস্কুলে নবম শ্রেণিতে সে পড়াশোনা করত।
এদিকে নাবালিকা ছাত্রী খুনের ঘটনায় বাবা ধীরেন মণ্ডল এবং মা সুমতি মণ্ডলকে পুলিশ চারদিনের জন্য নিজেদের হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। তবে তাদের একেকবার একেকরকম কথাবার্তায় অস্বস্তিতে পড়েছেন তদন্তকারী পুলিশ অফিসাররা। সূত্রের খবর, প্রথমে খুনের ঘটনাটি স্বীকার করতে চাননি ধৃত দম্পতি। তাঁরা দাবি করেন, তাদের মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পরিবারের সম্মানরক্ষার জন্য মৃতদেহ গঙ্গা নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে। আবার কখনো জানান, অন্য জাতির এক যুবকের সঙ্গে তাদের মেয়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিল। বহুবার নিষেধ করার পরেও কথা শোনেনি। পরিবারের সম্মান রক্ষার জন্য তাই মেয়েকে খুন করেন। মৃতদেহ যাতে কারো নজরে না আসে, তার জন্য সেটিকে বস্তাবন্দি করে গঙ্গায় ফেলে দিয়েছে। ধৃতদের একেকরকম উত্তর ভাবিয়ে তুলেছে তদন্তকারী পুলিশ অফিসারদের।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই নাবালিকা ছাত্রীর মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে মহেন্দ্রগঞ্জের কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। তবে দেহটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্ত করার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।