চোপড়ায় শুক্রবার রাস্তার ধারে খড়ের গাদা থেকে গুলিবোমা পিস্তল উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Uttar Dinajpur:- সুভাষনগর এলাকায় বেশ কিছু বোমা এবং পিস্তল থাকার খবর গোপন সূত্রে পেয়ে পুলিশ সেখানে তল্লাশী অভিযান চালায়। চোপড়া থানার পুলিশ সেখানে গিয়ে অনিল মন্ডলের বাড়িতে তল্লাশী অভিযান চালায়। কিন্তু সেখানে কিছু না পেয়ে অনিল মন্ডলের বাড়ির সামনে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে খড়ের গাদার মধ্যে থেকে ১১টি সকেট বোমা, একটা ওয়ান শার্টার পিস্তল এবং তিন রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে চোপড়া থানার পুলিশ। বোমা উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান ইসলামপুরের মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সোমনাথ ঝা। এলাকায় বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়। যদিও এই ঘটনায় কাউকেই গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে জানিয়েছেন চোপড়া থানার আইসি বিনোদ গজমির। অনিল মন্ডল বলেন, পুলিশ আমার বাড়িতে তল্লাশী চালিয়ে কিছু পায়নি। রাস্তার ধারে খড়ের গাদা থেকে গুলি বোমা ও পিস্তল পেয়েছে। খড়ের গাদাটা আমার কিন্তু রাস্তার ধারে থাকায় কে বা কাহারা ওগুলো ওখানে রেখে গিয়েছে সেবিষয়ে আমি কিছু জানিনা। এদিকে বোমা উদ্ধার হওয়া চোপড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সুভাষনগর সংসদের সদস্য তৃণমূলের অজিত হালদার বলেন, অনিল মন্ডল রাস্তার ধারে খড় রেখে সেখান থেকে খড় বিক্রি করেন। কিন্তু ওই খড়ের গাদার নিচে কে বোমা গুলি রেখে গিয়েছে সেটা ওরাও জানে না আমিও জানি না। এগুলো কেউ শত্রুতা করে করেছে। চোপড়া থানার আইসি বিনোদ গজমির বলেন, সুভাষনগর এলাকা থেকে ১১টি সকেট বোমা, একটা ওয়ান শার্টার পিস্তল এবং তিন রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। আমরা সব দিক তদন্ত করে দেখছি।

মোবাইলের সূত্র ধরে চার কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করলো চাকুলিয়া থানার পুলিশ। চাকুলিয়া থানার পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মাসের গত ৮ জুন মনিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি ডালখোলা থেকে ভুট্টা বিক্রি করে টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর বন্ধু মহ: উজির। বন্ধু উজিরকে বিশ্বাস করতেন মনিরুল। উজিরের ছিনতাইয়ের ছক বুঝে উঠতে পারেনি মনিরুল। কখন ,কোথায়, কত দূরে তা কোড ওয়ার্ডের মাধ্যমে উজির তার সঙ্গীদের ফোনে জানাতো। উজির ইচ্ছা করে বাড়ি ফিরতে দেরি করিয়েছিল। ফাঁত পেতে বসে ছিলো উজিরের সঙ্গীরা। পথে মোটর সাইকেল আটকে তার মাথায় আঘাত করলে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মনিরুল। মোটর সাইকেলে থাকা টাকা নিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। ঘটনাটি ঘটেছিল চাকুলিয়া থানার বলঞ্চা গ্রামের পাশে। তদন্তে নেমে ছিনতাইকারিদের ধরতে সক্ষম হয় পুলিশ। মহম্মদ উজির, আবদুল, ইনামুল হক ও আলি মহম্মদ ছিনতাইয়ে জড়িত ছিল। ধৃত চারজনের বাড়ি চাকুলিয়া থানার কোনা ভাটিয়া পাড়া ও গোওয়ালগাও এলাকায়। ধৃতদের এদিন ইসলামপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। চাকুলিয়া থানার ওসি বিশ্বনাথ মিত্র বলেন, ছিনতাইয়ের ঘটনায় ধৃত চারজনকে এদিন আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন আদালতে জানানো হয়েছে।