সমস্ত ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিক সংগঠনের ডাকে কালিয়াচক বাম ও কংগ্রেস সংগঠনের নেতৃবর্গ রাস্তায় নেমে বন্ধ অবরোধে স্বতস্ফূর্তভাবে সামিল

জুলফিকার আলি- শ্রমজীবি মানুষের স্বার্থে, ও গণতন্ত্রের আইনি অধিকার লড়াইয়ের দাবিতে সারা ভারতবর্ষের সঙ্গে সমস্ত ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিক সংগঠনের ডাকে কালিয়াচক বাম ও কংগ্রেস সংগঠনের নেতৃবর্গ রাস্তায় নেমে বন্ধ অবরোধে স্বতস্ফূর্তভাবে সামিল। বন্ধের প্রভাব ব্যাপক ভাবে সাড়া পড়েছে সুজাপুর ,কালিয়াচক ,মোথাবাড়ি ,সহ কালিয়াচকের হাট, বাজার, দোকান-পাট, রাস্তা ঘাট, ব্যাংক, স্কুল কলেজে, পোস্ট অফিস, রেজিস্ট্রি অফিস, ইত্যাদি সরকারি সমস্ত পরিষেবায়, জনগণ বুঝিয়ে দিতে চাইছে বর্তমান দেশের সরকার, ও রাজ্য সরকার মানুষের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক যে আইন শ্রমিকের কাঁধে চাপাতে চায় তা মানতে চায় না।কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া কৃষি আইন, শ্রম আইনের খোলনলচে বদল, আলু-পেঁয়াজ থেকে পেট্রোপণ্যের আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধির বিরোধিতায় বৃহস্পতিবার দেশ জুড়ে কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলো ধর্মঘট পালন করছে। রাজ্যে বেসরকারি বাস কম থাকলেও পথে নেমেছে বহু সরকারি বাস। সারা রাজ্যের পাশাপাশি মালদা জেলাতেও বনধের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বনধের সমর্থনে এদিন সকালে পথে নামে বাম এবং কংগ্রেস। মালদা শহরে সকাল থেকেই বেশকিছু দোকানপাট খুলতে শুরু করে। সেই দোকান বন্ধ করার জন্য ধর্মঘটীরা বিভিন্ন এলাকায় পিকেটিং করে। খবর পেয়ে ইংরজবাজার থানার পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। এদিন জেলার বিভিন্ন পথে বেসরকারি কিছু যানবাহন যেমন টোটো বা অটো চললেও কোনো যাত্রীবাহী গাড়ির দেখা মেলেনি। পথে নামেনি বেসরকারি বাস। সরকারি বাস পথে নামলেও তার সংখ্যা ছিল হাতে গোনা। পুরাতন মালদাতে যানবাহনের দেখা না মিললেও বিভিন্ন বাজার এবং দোকানপাট ছিল খোলা। স্বাভাবিক ছিল জনজীবন। পুরাতন মালদা পুরসভা এলাকায় এদিন বনধের সমর্থনে বাম বা কংগ্রেস কর্মীদের পথে নামতে দেখা যায়নি। ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে শহর বা জেলার কোনো প্রান্তে অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে না তার জন্য পুলিশি টহল ছিল চোখে পড়ার মতো।
মালদায় দেশ জুড়ে ধর্মঘটে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পথে নামলেন বাম এবং কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকেরা। ধর্মঘটের সমর্থনে পথ অবরোধ-মিছিল করেন তাঁরা। পালন করা হয় রেল রোকো কর্মসূচি। তার জেরে সকাল থেকেই বিপর্যস্ত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত।