কোচবিহারের সভাপতির পদ থেকে সরানো হল রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে

Webdesk : লোকসভা ভোটে কোচবিহার আসনে বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের কাছে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূলের প্রার্থী পরেশচন্দ্র অধিকারী।  ভোটে  বিপর্যয়ের জেরে তৃণমূল নেত্রীর রোষানলে পড়লেন দলের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ।  জেলা সভাপতির পদ রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে সরিয়ে দিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিনয়কৃষ্ণ  বর্মণকে ।

গতকাল থেকেই জেলায় তুঙ্গে উঠেছিল জল্পনা।জেলা তৃণমূল সভাপতির দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে দোর্দণ্ডপ্রতাপ রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে। আজ সেই ঘোষণাই হল আনুষ্ঠানিকভাবে। তবে এই পরিবর্তনে সাংগঠনিকভাবে দল কতটা লাভবান হবে সেটা যদিও সময় বলবে, কিন্তু আপাতত হয়তো স্বস্তির নিঃস্বাস ফেলবেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী নিজেও। কারণ এই মুহূর্তে জেলায় তাঁকে গিয়ে নাস্তানাবুদ হয়ে ফিরতে হচ্ছে না এমন জায়গা খুব কম আছে। নির্বাচনে কোচবিহার আসন খোয়ানোর পরে  নিজের কেন্দ্রেও বের হতে পারছেন না তিনি । একের পর এক গ্রাম পঞ্চায়েত হাতছাড়া হচ্ছে জেলায় । সূত্রের থবর, সম্প্রতি দলের তিন বিধায়ক রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর সঙ্গে কলকাতায় বৈঠকে করে রবিবাবুর বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ জানিয়েছেন। নির্বাচনের আগেও লিখিতভাবে রবিবাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালেও দলের শীর্ষ নেতৃত্ব তাতে কান দেননি। উল্টে তাঁর কথাতেই নিশীথ প্রামাণিককে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে মনে করে তৃণমূলের একটা অংশ। এমনকী দলের তরুণ সংসদ পার্থপ্রতিম রায়কে প্রার্থী না করে ফরোয়ার্ড ব্লক থেকে আসা পরেশ অধিকারীকে প্রার্থী করার মূলেও তাঁরই হাত রয়েছে বলেও মনে করেন তাঁরা। যার ফল দলের পক্ষে খুব একটা ভালো হয়নি। এই পরিস্থিতিতেই আজ রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে সভাপতি পদ থেকে সরানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।