উৎকর্ষ পুরস্কার দেওয়া হল জেলার ১০ রেশমচাষিকে

মালদা, ১৭ জানুয়ারি— দেশের দ্বিতীয় রেশ উৎপাদনকারী জেলা হিসাবে মালদা পরিচিত। জেলার প্রায় ২১ হাজার হেক্টর জমিতে তুঁতগাছের চাষ হয়ে থাকে, যা পলুপোকার অন্যতম খাবার। রেশম চাষিদের উতসাহিত করতে মালদা জেলার অন্তর্গত কালিয়াচক-২ ব্লকের বাঘমারা আরইসিতে রেশম কৃষিমেলার আয়োজন করা হয়েছিল। মেলায় আমন্ত্রিত অতিথী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মোথাবাড়ির বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন, কালিয়াচক- ২ ব্লকের জয়েন্ট বিডিও সুব্রত মল্লিক প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বহরমপুর রেশম গবেষণাকেন্দ্রের অধিকর্তা ভি শিবপ্রসাদ, রাজ্য রেশম দপ্তরের উপঅধিকর্তা রজত ভৌমিক, মোথাবাড়ি আরইসির ইনচার্জ ডক্টর শতদল চক্রব্রতী, বৈজ্ঞানিক মলয় ঘোষ, দেবাশিস চক্রবর্তী, অনিলকুমার ভারমা মালদা কৃষিবিজ্ঞানকেন্দ্রের আধিকারিক দীপক নায়েক সহ আরো অনেকে। জেলার ১৫০ জন রেশমচাষি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। রেশম সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে একটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেই প্রদর্শনীতে একদিকে যেমন যেমন রেশম চাষের বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করা হয়, তেমনই বিভিন্ন ধরনের ওষুধপত্রগুলির বিস্তারিত তথ্যও তুলে ধরা হয় চাষিদের মধ্যে। বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে জেলার সেরা দশজন রেশমচাষিকে উৎকর্ষ পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়।
উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, জেলার রেশমচাষ অনেকটাই এগিয়েছে। উন্নতমানের প্লুপোকার ফলে তা থেকে ভালো গুটি পাওয়া যাচ্ছে। শুধু বাংলা নয়, মালদা জেলার রেশম দেশবিদেশের বিভিন্ন প্রান্তেও সমাদর লাভ করেছে। জেলার গুরুত্বপূর্ণ এই চাষকে আগামীদিনে কীভাবে আরো ভালো করা যায়, সেই বিষয়েও সকলে আলোচনা করেন। এছাড়াও রেশম চাষকে আরো আধুনিক এবং বিজ্ঞানসম্মত করে তোলার জন্য চাষীরা কী ধরনের ব্যবস্থা নিতে পারেন, সে বিষয়ে আলোকপাত করেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানীরা।